বিবিধ খাতে তালিকাভুক্ত জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ১৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৫৭২ টাকা ৪০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৪৮৫ টাকা ৮০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তহিক দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) জিকিউ বলপেনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩৬ টাকা ৯০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিকিউ বলপেনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকা ৫৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিকিউ বলপেনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২০ টাকা ৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জিকিউ বলপেনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫৬ পয়সায়। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩৬ টাকা ৩১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২১ সমাপ্ত হিসাব বছরে উদ্যোক্তা ও পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জিকিউ বলপেনের পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব যা ছিল ৭ টাকা ৬৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকায়।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জিকিউ বলপেনের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৯ লাখ ২৮ হাজার ৯১। এর ৪৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।